Ticker

12/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Assignment-Class-7-Science-12th-week-2021


Assignment-Class-7-Science-12th-week-2021- যে সকল বিষয়ের উপর জানতে পারনে-

বিষয়:

স্বপক্ষে যুক্তি:

মূলাকৃতি মূল: এরা খাদ্য সঞ্চয় করে তাই প্রধান মূল মোটা ও রসাল হয়। এদের মধ্যেভাগ মোটা কিন্তু দুই প্রান্ত ক্রমশ সরু।

যেমন-মুলা।

 

শালগমাকৃতি মূল:

এদের প্রধান মূলটির উপরের অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে গোলাকার এবং নিচের অংশ হঠাৎ করে সরু হয়ে যায়।

যেমন-শালগম।

 

রাইজোম:

আদা, হলুদ প্রভৃতি উদ্ভিদের কান্ড রাইজোম জাতীয়। এরা মাটির নিচে খাদ্য সঞ্চয় করে সমন্তরাল ও খাড়াভাবে অবস্থান করে। এদের সুস্পষ্ট পর্ব, পর্ব মধ্য থাকে। পর্ব হতে শল্কপত্র ও অস্থানিক মূল এবং শল্ক পত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল উৎপন্ন হয়।

কন্দ:

পিঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি উদ্ভিদের কান্ড এই প্রকারের। এদের কান্ড খুবই ক্ষুদ্র, গোলাকার ও উত্তল। পর্ব এবং পর্ব মধ্যগুলো সম্কুচিত। পুরু ও রসালো শল্কপত্র গুলো এমনভাবে অবস্থান করে যে কন্দটিকে দেখা যায় না। এদের নিচের দিক থেকে প্রচুর অস্থানিক গুচ্ছমূল বের হয়।

কন্দাল মূল:

অস্থানিক মূল কখনো অনিয়মিতিভাবে স্ফীত হয়।

যথা:

মিষ্টি আলু।

এ্যাসাইনমেন্ট-ক্লাস-সপ্তম-শ্রেণি-বিজ্ঞান-১২তম-সপ্তাহ-২০২১

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

শ্রেনি: ৭ম

বিষয়: কর্ম ও জীবনমূখী শিক্ষা

এসাইনমেন্ট নং: ০২

এসাইনমেন্টের শিরোনাম: আত্নমর্যাদাবান ও আত্নবিশ্বাসী

মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কর্ম পরিকল্পনা

 

আত্নমর্যাদা বলতে সাধারনত আমরা বুঝি নিজের কাছে নিজের সম্মান ও মানুষ হিসাবে নিজের পরিচয় সম্পর্কে সচেতন থাকা। আত্নমর্যাদা হলো নিজের চারপাশে বা নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা কিন্তু এর অধিকাংশ ঠিক নয়।

আত্নমর্যাদা হলো নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করা, ন্যায় কাজ করতে লজ্জাবোধ না করা। নিজের কোন রকম প্রতিবন্ধকতা থাকলেও নিজের ক্ষমতা ও সমার্থ্যকে সম্মান জানানো এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

আত্নমর্যাদাবান ও আত্নবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে আমি নিজেকে যেভাবে গড়ে তুলতে পারি তার একটি কর্ম পরিকল্পনা:

১। আমি সবসময় সঠিক কাজ সঠিক সময়ে করার চেষ্টা করবো। কোন কাজ ফেলে রাখবো না।

২। ন্যায় কাজ করতে কখনো লজ্জাবোধ করবো না।

৩। কোথাও অন্যায় হতে দেখলে প্রতিবাদ করবো।

৪। বিপদ আপদে মানুষেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

৫। শেণি শিক্ষক এবং বড়দের সম্মান করি। কখনো শ্রেণি কাজ বাকি রেখে ফাঁকি মূলক কাজ করবো না।

৬। বিভিন্ন কাজে নিজের রুচিশীলতার পরিচয় দিয়ে থাকবো। কোন কাজে ভয় পেয়ে পিছু হটে যাইনা বরং আত্নবিশাসের সাথে করার চেষ্টা করবো।

৭। নিজের মতামত প্রকাশ করি এবং অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা জানাই সব সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকবো।

এছাড়াও আরো অনেক বৈশিষ্ট্য আমি আমার মাঝে দেখতে চাই।

যেমন: নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আমি আমার প্রতিভাকে বিকাশিত করতে চাই। এর মাধ্যমে নিজের মননশীলতার পরিচয় ফুটিয়ে তোলা যায়। ভূল ভ্রান্তি সংশোধন করা যায়। নিজের কাজকে নিজে প্রাধান্য দিয়ে ভালো কিছু করার জন্যে চেষ্টা চালাতে চাই। এতে কায়িক শ্রম ও মেধা শ্রম উভয়ের ব্যবহার সঠিরভাবে করা যায়, যা শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে। তাই উন্নয়ন ও সৃজনশীলমূলক কাজ করতে চাই অধিক পরিমাণে। এতে আত্নমর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং বিশ্বাস দৃঢ় হয়।


এ্যাসাইনমেন্ট-সপ্তম-শ্রেণি-কর্ম ও জীবনমুখী-শিক্ষা-১২তম-সপ্তাহ-২০১২

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

শ্রেনি: ৭ম

বিষয়: হিন্দু ও নৈতিক শিক্ষা

এসাইনমেন্ট নং: ০৩

এসাইনমেন্টের শিরোনাম: হিন্দু ধর্মের স্বরুপ


কর্মবাদ:

কর্মফলের মধ্যে দিয়ে শুভ, অশুভ, পাপ ও পূণ্য সংরক্ষিত থাকে। কর্মবাদ ভারতীয় দর্শনের একটি নৈতিক ধরণা। কর্মবাদ অনুযায়ী প্রত্যেক মানুষকে তার কৃতকর্মের ফলভোগ করতে হবে। কর্মফল কখনোই নষ্ট হয় না। এ কারণে কর্মবাদকে নৈতিক মূল্যের সংরক্ষণ নিয়ম বলে। কর্মবাদ এক প্রকার নৈতিক কার্যকারণবাদ। 

কর্মবাদের মূলকথা হচ্ছে মানবজীবনে সুখ-দুঃখ ভোগ কর্মের ফলমাত্র। কর্ম হচ্ছে কারণ আর সুখ-দুঃখ ভোগ হচ্ছে কর্মফল। সৎকাজের জন্য পূণ্য এবং অসৎ কাজের জন্য পাপ ভোগ করতে হবে। কর্ম এক ধরনের অদৃশ্য শক্তি উৎপন্ন করে যার ফলে জীবকর্ম অনুসারে ভবিশ্যতে সুখ-দুঃখ ভোগ করে। 

কর্মবাদ তাই একটি সর্বব্যাপী নৈতিক নিয়ম ও কর্মফল সৃষ্টি করার অদৃশ্য শক্তিকে বোঝায়। কর্মবাদের ওপর ভিত্তি করেই ভারতীয় দর্শনে জন্মন্তরবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মৃত্যুর পর আত্না নতুন দেহ ধারণ করে। বর্তমান জীবনের কৃতকর্মের ফলভোগ যদি বর্তমান জীবনে শেষ না হয়, তাহলে কর্মফল ভোগের জন্য তাকে দেহধারণ করে জন্মগ্রহণ করতে হবে, কারণ কর্মফল বিনষ্ট হয় না, সংরক্ষিত থাকে। 

ভারতীয় দার্শনিকগণ কর্মবাদের সাহায্যে অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎকে একই সূত্রে গ্রথিক করেন। শ্রীমদ্ভগবদ গীতায় জন্মান্তরবাদকে নতুন বস্ত্র পরিধান, বৌদ্ধদর্শনে ভবচক্র এবং বেদান্ত দর্শনে নিত্য ও সনাতন আত্না স্বীকারের মাধ্যমে সমর্থন করা হয়।

জন্মান্তরবাদ:

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে, জীবের মৃত্যুর পর আত্না পুনরায় জীবদেহ নিয়ে জম্নগ্রহণ করে। ‘জন্মন্তর’ কথাটির মূল অর্থ হলো, জীবাত্না একদেহ পরিত্যাগ করলে কর্মফল ভোগ করার জন্য অন্য দেহ ধারণ করে এ জগতেই পুনরায় জন্মগ্রহণ করে। বেদ, উপনিষদ এবং ভগবৎ গীতায় বলা হয়েছে, জীবাত্না স্বরুপত ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

কিন্তু জাগতিক বস্তুর প্রতি আসক্তিবশতই আত্নাকে দেহ ধারণ করতে শ্রীমদ্ভগবদ গীতায় বলা হয়েছে,জীবাত্না স্বরুপত ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু জাগতিক বস্তুর প্রতি আসক্তিবশতই আত্নাকে দেহ ধারণ করতে শ্রীমদ্ভগবদ গীতায় অর্জুনকে উদ্দেশ্য করে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য-

‘‘বহুনি মে ব্যতীতানি জন্মনি তব চার্জুন।

তান্যহং বেদ সর্বাণি ন ত্বং বেথু পরন্তপ”

অর্থাৎ যে অর্জুন তোমার আমার বহুবার জন্ম হয়েছে। সে কথা তোমার মনে নেই, সবই আমার মনে আছে। এই বক্তব্যর মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণ যে অর্জুনের সখা এবং তার রথের সারথি এ সত্য অতিক্রম করে আর একটি পরম সত্য প্রকাশিত হয়েছে, তা হলো তিনি সর্বজ্ঞ, পরেমেশ্বর। তিনি শাশ্বত অব্যয় পরমাত্নার প্রতীক। 

আবার যখন বলা হয় অর্জুনের বহুবার জন্ম হয়েছে, এ থেকে বোঝা যায় অর্জুনের মধ্যেও পরমাত্নার ন্যায় কোন শাশ্বত বস্তু রয়েছে যা বহুবার জন্ম-মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েও নষ্ট হয়ে যাননি। শাস্ত্রের ভাষায় জীবদেহের ওই শাশ্বত বস্তুটি হলো জীবাত্না, সংক্ষেপে আত্না। এখানে উল্লেখ্য, জীবাত্না পরমাত্নার অংশ বিশেষ। অংশের মধ্যেও মূলবস্তুর গুণাগুণ বিদ্যমান। তাই পরমাত্নার ন্যায় জীবাত্নাও অব্যয়, জন্ম মৃত্যুহীন, শাশ্বতবস্তু। 

তবে কোন অনাদী অতীতে পরমাত্না থেকে বিযূক্ত হয়ে জীবান্তা ওই পরমাত্তার পূনরায় মিলিত হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা বলা কঠিন। তবে যত দিন পরমাত্না বা ঈশ্বরপ্রাপ্তি না ঘটে তত দিন না প্রাপ্তির জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। গীতায় আরও বলা হয়েছে, মানুষ প্রকৃতির এবং রজঃ গুণের প্রভাবে সুখ-দুখ, মোহাদিতে আবদ্ধ হয়ে পড়ে এবং আমি সুখী, আমি দুঃখী, আমি কর্তা, আমার কর্ম ইত্যাদি আমিত্ব প্রকাশ করতঃ কর্মনাশে প্রবৃত্ত হয়। 

এ সকল কর্মফল ভোগের জন্য তাকে বারবার জন্মগ্রহণ করতে হয়। আর একাধিকবার জন্মগ্রহণ করাকেই বলা হয় জন্মান্তরবাদ। দেহ ও আত্নার মধ্যে এক ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ রয়েছে। দেহকে আশ্রয় করে আত্নার অভিযাত্রা, আবার আত্নাকে লাভ করে দেহ সজীব। দেহহীন আত্না নিষ্ক্রিয়, আত্নাহীন দেহ জড়।

মোক্ষলাভ:

১। মোক্ষলাভ হল হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈন ধর্ম ও শিখ ধর্মের একটি পরিভাষা, যারা দ্বারা বিভিন্ন প্রকারের দাসত্ব মুক্তি, বন্ধনমুক্তি, জ্ঞানলাভ, স্বাধীনতা লাভ ও পরিত্রাণকে বোঝানো হয়।

২। এটি একটি আত্নার মুক্তি ও পরকাল বিষয়ক ধারণা যার দ্বারা সংসার নামক জন্ম-মৃত্যুর দ্বারা আবর্তিত পূন:জন্মের মুক্তিলাভ করে পরমাত্নার সঙ্গে মিলিত হওয়াকে বোঝানো হয়।

৩। জ্ঞানতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিক বিবেচনায়, মোক্ষ হল অজ্ঞানতা হতে মুক্তিলাভ, যার মানে হল: আত্না-অনুধাবন, আত্না-সংশোধন ও আত্না-জ্ঞান।

হিন্দু ধর্মের মূলত কর্মবাদ এর মাধ্যমে মানুষ তার সুনির্দিষ্ট সুশৃংখল কর্মকান্ডের কথা বলা হয়েছে। যেমন বর্তমানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি চলছে সেখানে আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য হচ্ছে মাক্স পরিধান করা, হাত ধোয়া এবং একে অপরকে করোনার সম্পর্কে সচেতন করা। 

কর্ম করে গেলে যদি সেটি সঠিক পথে হয় মানুষের উপকার এবং কল্যাণের জন্য হয় তাহলে সেই কর্মের ফল অবশ্যই ভালো এবং এই মহৎ কাজের জন্য ঈশ্বর আমাদেরকে মুখ্য লাভের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেবেন। পরিশেষে বলা যায় হিন্দুধর্ম এমন একটি সুশৃঙ্খল এবং নিয়মতান্ত্রিক ধর্ম যেখানে কর্মবাদ জন্মান্তরবাদ মোক্ষলাভ এর যে তত্ত্ব দেওয়া আছে তার মাধ্যমে আমরা এটাই বুঝতে পারে সকল কর্মে ঈশ্বর ঐশ্বরিক সৃষ্টিকে সেবা দানের মাধমে তাদের সুস্থ্য স্বাভাবিক রাখার মধ্যেই আমরা খুব সহজে মুখ্য লাভ করতে পারি এবং মানুষের কল্যাণের জন্য ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারি।


এ্যাসাইনমেন্ট-সপ্তম-শ্রেণি-হিন্দু ও নৈতিক-শিক্ষা-১২তম-সপ্তাহ-২০১২

পূর্বের এ্যাসাইনমেন্ট গুলো পাওয়ার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন :

৮ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-কর্ম ও জীবনমুখী-১৪তম-সপ্তাহ-২০২১

৭ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-ইংরেজি-১১তম-সপ্তাহ-২০২১

৭ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-তথ্য ও যোগাযোগ-১১তম-সপ্তাহ-২০২১

৭ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-বিজ্ঞান-১২তম-সপ্তাহ-২০২১

৮ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-কর্ম ও বহুমুখী-শিক্ষা-১২তম-সপ্তাহ-২০২১

৬ষ্ঠ-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-ইংরেজি-১২তম-সপ্তাহ-২০২১

নবম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-ব্যবসায়ী-উদে্দাগ-১১তম-সপ্তাহ-২০২১

নবম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-বাংলা-১২তম-সপ্তাহ-২০২১

৭ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-ইংরেজি-১১তম-সপ্তাহ-২০২১

৮ম-শ্রেণির-এ্যাসাইনমেন্ট-বাংলা-১৩তম-সপ্তাহ-২০২১

 



Post a Comment

0 Comments

Logo design

How to free download for premium logo design